বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অব্যাহতি পাওয়া দুই নেতার মধ্যে আবু নাছের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারকেলগাছ এবং শহিদুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কম্পিউটার প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও তাঁদের পক্ষে মাঠে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আবু নাছের। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথমে অংশগ্রহণ করেছিল। এরপর অনিয়মের কারণে সিদ্ধান্ত নেয়, এই সরকারের অধীনে আর কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। এরপর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা দেন, দলীয়ভাবে বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও দলের স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নেতা চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন। তিনি দলের মহাসচিবের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়াই সরাসরি দলের পদ থেকে অব্যাহতির চিঠিতে তিনি হতবাক হয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে আবু নাছের বলেন, তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তিনি নির্বাচনের মাঠে থাকবেন।

শহিদুল ইসলাম ওরফে কিরণ প্রথম আলোকে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া যাবে মর্মে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে ঘোষণা দেওয়ার কারণেই তিনি প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে দলীয় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়েছে কি না, তা তিনি জানেন না, ‘সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হলে আগেই আমাদের জানানো উচিত ছিল। এখন এমন সময় অব্যাহতির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে, এই সময় পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন