বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল আলম প্রথম আলোকে বলেন, নোয়াখোলা ইউপি নির্বাচন স্থগিতের হাইকোর্টের আদেশের একটি অনুলিপি তিনি পেয়েছেন। তবে নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা পাননি। নির্বাচন কমিশনের আদেশ পেলে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখোলা ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল গত মঙ্গলবার। আজ বৃহস্পতিবার ওই ইউনিয়নে মনোনয়নপত্র বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন।

নোয়াখোলা ইউপির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার আগের মেয়াদেও তিনি ওই ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনের পর ফল বাতিলের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ওই নির্বাচনে বিএনপির সমর্থক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান। ফলে আদালতের নির্দেশে ওই চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ গ্রহণ স্থগিত থাকে।

ইব্রাহিম খলিল জানান, ২০১৬ সালে করা ওই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় গত পাঁচ বছর তিনি দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়া হয়নি এবং তাঁরা কোনো সম্মানী ভাতাও পাননি। আগের মেয়াদে চেয়ারম্যান থাকায় তিনি কোনো ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা না পেয়ে ধারাবাহিক দায়িত্ব পালন করে গেছেন। এরই মধ্যে গত ২৭ নভেম্বর নোয়াখোলা ইউনিয়নের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। যার বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন