বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুল হাই বলেন, শুক্রবার রাতে ২ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত করে রোববার সকালে এক আসামিকে আটক করে থানায় নেওয়ার পথে মোস্তফা কামালের লোকজন মাকসুদ মেম্বারের নেতৃত্বে আসামিকে ছিনতাই করে নিয়ে যান। সেই আসামিকে উদ্ধার করতে গেলে তাঁর সমর্থকদের ওপর মোস্তফা কামালের লোকজন চড়াও হন। এ নিয়ে সংঘর্ষে তাঁদের সাতজন আহত হন। চারজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে মোস্তফা কামাল বলেন, আসামি ধরার নাম করে পুলিশ ও হাইয়ের সমর্থকেরা তাঁর (মোস্তফা কামাল) চারটি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করেছেন। এ সময় তাঁর সমর্থক ফরিদ, বাচ্চুসহ ১৩ জনকে পিটিয়ে জখম করা হয়।

ধনিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমদাদুল কবির বলেন, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটআলগী গ্রামে অ্যাডভোকেট ইলিয়াছ মিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনের কার্যালয় চত্বরে একটি সভা করে রাত ৯টার দিকে ফিরে আসেন। রাতে খবর পান, সন্ত্রাসীরা তাঁর কার্যালয় ভাঙচুর করে আসবাবে অগ্নিসংযোগ করেছে। তাঁর ধারণা, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফেরদৌস বাহাদুরের লোকজন এ হামলা, ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করেছেন।

রোববার সরেজমিন ঘটনাস্থলে গেলে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. সামসুদ্দিন বলেন, দিবাগত রাত তিনটার দিকে একদল মুখোশ পরা লোক হেলমেট মাথায় দিয়ে এসে নৌকার নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদৌস বাহাদুর বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো ভোট নেই। নির্বাচনে ভরাডুবি ঠেকাতে তারা নতুন ইস্যু খুঁজছে। তারা বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে ইউনিয়নে একটি হেলমেট বাহিনী ছেড়েছে। তাদের হাতে রড-ছুরি। এ বাহিনী ইউনিয়নে সন্ত্রাস করে বেড়াচ্ছে। এই হেলমেট বাহিনী নৌকার কার্যালয় ভেঙে আনারসের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।

পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ প্রার্থী জহিরুল ইসলাম বলেন, শনিবার রাতে ইউনিয়নের হাওলাদার বাজারের নৌকার নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গিয়াসউদ্দিনের লোকজন। তিনি এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গিয়াসউদ্দিন বলেন, জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা ২৪ ডিসেম্বর তাঁর পরিবারের ওপর হামলা করে। সেই থেকে তাঁরা ভোলা-বরিশালে চিকিৎসাধীন। ইউনিয়নের কাছেও যাননি।

শিবপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন বলেন, জেলাপর্যায়ের নেতারা শনিবার রাতে ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকায় নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালাতে গেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের লোকজন ককটেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় তাঁর পাঁচজন কর্মী আহত হন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম বলেন, নৌকার কর্মীরাই তাঁর সব কটি নির্বাচনী কার্যালয় ভেঙে ফেলেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন