বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভিডিওতে আজিজ চৌধুরীকে বলতে দেখা যায়, ‘নৌকার বিজয় কীভাবে আনতে হয়, আমরা কিন্তু ভালো করে জানি। আমাদের অন্য পথে চলার জন্য চেষ্টা করাবেন না। আমরা কিন্তু শান্ত আছি। যাঁরা হাটবাজারে বিভিন্ন মশকরা করেন নৌকা প্রতীক নিয়ে, তাঁদের আমি সাবধান করে দিলাম। ২৬ তারিখ ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। আর যদি ভোটকেন্দ্রে যেতে হয়, তাহলে নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য যাবেন। আমরা জানি, কীভাবে আপনার ভোট নিতে হবে। আমি ধৈর্যের সঙ্গে বলছি। অভদ্রতার পরিচয় দিতে চাই না। আমরা এখন শান্ত। আওয়ামী লীগ শান্ত, যুবলীগ শান্ত, ছাত্রলীগ শান্ত। অশান্ত করার চেষ্টা করবেন না। তাহলে পরিণতি হবে ভয়াবহ।’

আওয়ামী লীগ প্রার্থী শহীদুল হক সরকার বলেন, ‘যুবলীগ নেতার এ বক্তব্য আমরা প্রত্যাহার করে নিয়েছি। পরবর্তী কোনো সভায় তাঁকে আর বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। আমরা মানুষের মন জয় করে নৌকায় ভোট চাই। জোর করে কারও ভোট নিতে চাই না।’

ওই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে যুবলীগ নেতা আবদুল আজিজ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করি। বক্তব্যের সময় এত বিবেচনা করে কথা বলা যায় না। বক্তব্যে কী বলেছি, সেটি এখন আর মনে নেই। তবে একটু বলতে পারি, আমরা কখনোই জোর করে ভোট নিয়ে জয়লাভে বিশ্বাসী না।’

শহীদুল হক সরকার ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসিম ছাত্তার মণ্ডল মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে এবং এম এ কাইয়ুম ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ডৌহাখলা (ইউপি) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২৬ ডিসেম্বর ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন