বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বহিষ্কার করা ১৫ জন হলেন হবখালী ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, আউড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য আকরাম হোসেন ভূঁইয়া, শাহাবাদ ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, শাহাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান, তুলারামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মো. টিপু সুলতান, কলোড়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি আব্বাচ আলী সরদার, সিঙ্গাশোলপুর ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি উজ্জ্বল শেখ, ভদ্রবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মো. নাসির উদ্দিন, আল ইমাম সিকদার, বাঁশগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, সদস্য মো. নাজমুল আলম, বিছালী ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এস এম আনিসুল ইসলাম ও মুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বিপুল কুমার সিকদার।

বহিষ্কার হওয়া দেলোয়ার হোসেন আজ শুক্রবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্কুলজীবন থেকে দলের সঙ্গে যুক্ত। দলের পরীক্ষিত সৈনিক আমি। দলকে শ্রদ্ধা করি। বহিষ্কার করেছে, আবার কোলে তুলে নেবে। জনগণের চাপে নির্বাচন করছি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিজয়ী হব।’

আব্বাচ আলী সরদার বলেন, ‘৩৭ বছর ধরে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং কৃষক লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছি। দল বহিষ্কার করলেও দলের জন্য কাজ করব। গতবারও স্বতন্ত্র নির্বাচন করে চেয়ারম্যান হয়েছি। এবারও জনগণ আমার পক্ষে রায় দেবে।’

প্রসঙ্গত, ১১ নভেম্বর উপজেলার ১৩ ইউপির ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন