বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুদক সূত্রে জানা গেছে, একটি অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এই দম্পতির সম্পদের অনুসন্ধান করে। এতে দেখা যায়, আবিদুল ইসলামের ঢাকার গুলশানে একটি বাড়ি, মিরপুরে একটি ফ্ল্যাট ও আরেকটি প্লট আছে। এ ছাড়া ওই সময়ের মধ্যে তাঁর ৪ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার ১৬৩ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়, যার মধ্যে রয়েছে গাড়ি, পিস্তল, গুলি, আসবাব ও গৃহস্থালির অন্য মালামাল। তিনি দুদকে যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছেন, তা যাচাই করে ৫ কোটি ৪৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬২২ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহানের ৮০ লাখ ৯৬ হাজার ২৭১ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদকের যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে উপপরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত মামলার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
আবিদুল ইসলাম গতকাল বুধবার রাতে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুদকের মামলার বিষয়টি আমার জানা নেই।’ তিনি বলেন, তিনি নড়াইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি ঢাকায় ব্যবসা করেন। গতবারও তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন। দলের বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুর রহমানের কাছে তিনি পরাজিত হন। তবে এবার জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন