বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৮ আগস্ট রাতে খুন হন নড়াইল সদর উপজেলার সীমাখালী গ্রামের বাসিন্দা লিয়াকত শিকদার (৫১)। সীমাখালী ঘাট এলাকায় তাঁর ক্ষতবিক্ষত লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান পলাশ মোল্লাকে (৪৫) প্রধান আসামি করে পরদিন মামলা করেন লিয়াকতের স্ত্রী আছমা বেগম।

মামলায় মোট ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তুষার কুমার মণ্ডল।

বিকেল পাঁচটায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। এক ঘণ্টাব্যাপী এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) রিয়াজুল ইসলাম, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শওকত কবীর প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সোমবার বিকেলে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত আসামি গোপিনাথকে (৩০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি সীমাখালী গ্রামের বাসিন্দা। গোপিনাথের দেওয়া তথ্যে একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন ইউপি চেয়ারম্যান পলাশ ও মামলার অপর আসামি সীমাখালী গ্রামের বাসিন্দা রুবেল শেখ (৩০)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তুষার কুমারের নেতৃত্বে সদর থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি যৌথ দল এ অভিযান চালায়।

পুলিশ বলছে, ইউপি চেয়ারম্যান পলাশের সঙ্গে পূর্বশত্রুতা ও স্থানীয় কোন্দলের জেরে খুন হয়েছেন বাসচালক লিয়াকত শিকদার। পলাশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বাড়ির পাশের পুকুর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি ও ছ্যানদা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নড়াইল সদর থানার ওসি মোহাম্মদ শওকত কবীর বলেন, গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বিকেলে রুবেল শেখ ও গোপিনাথ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন