বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ব্যক্তির নাম সেলিম সরদার (৩৪)। তিনি নড়াইল শহরের ভওয়াখালী গ্রামের সালেমান সরদারের ছেলে। তাঁর মা মোমেনা বেগম (৬১) ও প্রতিবেশী সাজ্জাদ খানকে (৩১) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত তাঁদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সেলিম ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া সাজ্জাদ খান পলাতক।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা গেছে, সেলিম সরদার এক ব্যক্তির টাকা ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনা দেখে ফেলেন তাঁদের প্রতিবেশী শুকুর আলীর স্ত্রী হালিমা বেগম। তিনি এ বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হন সেলিম সরদার। ২০১৪ সালের ১৭ মে সন্ধ্যা সাতটার দিকে সেলিমের মা মোমেনা বেগম তাঁদের বাড়িতে ডেকে নেন হালিমা বেগমকে। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সেলিম সরদার কোদাল দিয়ে হালিমার মাথায় আঘাত করেন। অন্য দুই আসামি হালিমাকে ধরে রেখে হত্যায় সহযোগিতা করেন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হালিমার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ১৭ মে নড়াইল সদর থানায় হালিমার স্বামী শুকুর আলী সরদার মামলা করেন।

জানতে চাইলে নড়াইল আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) এমদাদুল ইসলাম জানান, মোমেনা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য দুই আসামি ধরা পড়েননি। তাঁরা পলাতক। তাঁরা আদালতে আত্মসমপর্ণ করলে বা গ্রেপ্তার হলে, তার পর থেকে সাজা কার্যকর হবে। আদালত আদেশ দিয়েছেন, যতক্ষণ সেলিম সরদারের মৃত্যু না হয়, ততক্ষণ গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রেখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন