বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৭ আগস্ট বিকেলে ফেনসিডিল বিক্রির খবর পেয়ে মুক্তা বেগমের বাড়িতে নড়াইল গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় মুক্তা বেগম বাজারের একটি ব্যাগ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তখন পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে । ওই ব্যাগ থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুজ্জামান বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। পরে মুক্তা জামিনে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান।

এ ছাড়া লোহাগড়া সদরের আবদুল বারেকের ভাড়া বাসায় ফেনসিডিল বিক্রির খবর পেয়ে ২০১২ সালের ১৯ জানুয়ারি লোহাগড়া থানার পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশ তাঁর বাসা থেকে ৯৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে। এ সময় বারেক বাসা থেকে পালিয়ে যান। এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানার এসআই মো. জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নড়াইল আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) এমদাদুল ইসলাম জানান, আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাঁরা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বা গ্রেপ্তার হলে তার পর থেকে সাজার মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন