বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে শফিউদ্দিন আহমেদ হেলিকপ্টারে করে ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নামেন। সেখানে সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন যশোরের জিওসি মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ার, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেনসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

শীতবস্ত্র বিতরণের পর সেনাবাহিনী প্রধান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সারা দেশে সেনাবাহিনীর শীতকালীন প্রশিক্ষণ চলছে। এ সময়ে আমরা জনগণের কাছাকাছি আসি। শীতবস্ত্র ও চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘করফা গ্রামে আমার পৈতৃক ভিটা। স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় আমি এখানে ছিলাম।’

করফা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে হেলিকপ্টার থেকে নেমে সেনাপ্রধান হেঁটে পৈতৃক ভিটায় যান। আশপাশে তিনি ঘুরে দেখেন। স্থানীয় ও পরিচিতজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সেনাপ্রধানকে দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের।

নির্মাণাধীন রেল প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সেনাপ্রধান সাংবাদিকদের বলেন, ‘রেল প্রকল্পের কাজটি সঠিক সময়ে শেষ করা ও গুণগত মান ঠিক রাখার বিষয়ে আমরা সচেষ্ট। তার অগ্রগতি দেখার জন্যই আমি এখানে এসেছি। আমি যতটুকু দেখেছি, আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। আমার মনে হচ্ছে, আমরা সঠিকভাবে এগোচ্ছি। ইনশা আল্লাহ, সঠিক সময়ে এ প্রকল্প শেষ করা যাবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন