বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আসামিপক্ষের আইনজীবী উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, ‘এ রায়ের বিষয়ে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।’

মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, সৈয়দ পলাশের সঙ্গে প্রতিবেশী কৃষিজীবী ঠান্ডু সরদারের (৩০) পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ২০১৬ সালের ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঠান্ডুকে ফোন করে ডেকে নেন পলাশ। সেদিন ঠান্ডুকে আর খোঁজাখুঁজি করে পাওয়া যায়নি। পরের দিন দুপুর ১২টায় ইতনা বালিকা বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে খেতের মধ্যে কাঁচা রাস্তার ওপর ঠান্ডুর লাশ পাওয়া যায়। তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় ঠান্ডুর মা গোলাপী বেগম বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ২৪ জানুয়ারি লোহাগড়া থানায় সৈয়দ পলাশকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন