default-image

নড়াইল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সরদার আলমগীর হোসেন নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি ওই ঘোষণা দেন। দলীয় মনোনয়ন–বঞ্চিত হয়ে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি নড়াইল পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

৩০ জানুয়ারি নড়াইল পৌরসভার নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ১০ জানুয়ারি। ১১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর শুরু হয় প্রচারণা। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছেন আঞ্জুমান আরা। বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. জুলফিকার আলী। এ ছাড়া ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী হয়েছেন মওলানা মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে সরদার আলমগীর হোসেন বলেন, সাংসদ মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বে নড়াইল এগিয়ে চলছে। নড়াইল হবে প্রজন্মের শ্রেষ্ঠ বাসস্থান। সেই অগ্রযাত্রায় শরিক হতে মেয়র পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘এই কয়েক দিনে মানুষের অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। মাশরাফির জেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলে তাঁর জন্য দলীয় পর্যায়ে অসম্মানজনক। এ ছাড়া নির্বাচন করলে দলে বিভক্তি সৃষ্টি হবে, যা দলের জন্য সুখকর নয়। তাই স্বপ্রণোদিত হয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম। এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে সরদার আলমগীর হোসেনের সমর্থক, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নির্বাচনী প্রচারণার শুরু থেকেই মাঠ চষে বেড়াচ্ছিলেন সরদার আলমগীর হোসেন। ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে আলমগীর হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় তাঁর সমর্থকদের নামে পরদিন থানায় মামলা করেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর মেয়ে সঞ্চিতা আহমেদ। এতে ছয়জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন