বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্লক নামানোর মাঝপথে মাহিন্দ্রর হাইড্রোলিকে ত্রুটি দেখা দেয়। তখন রবিউল এগিয়ে এসে তা দেখতে যান। তখন হাইড্রোলিক ভেঙে মাহিন্দ্রতে থাকা ব্লক তার শরীরে পরে যায়। ব্লকের নিচে চাপা পরেন রবিউল। অন্য শ্রমিকেরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা সদরের একটি হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এরপর বেরা ১১টার দিকে তাঁকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে আনা হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রবিউলের আত্মীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ২৩ জনের একটি দল গত ১০ দিন যাবৎ ব্লক বসানোর কাজ করছিলাম। শনিবার সকালে মাহিন্দ্র গাড়ির হাইড্রোলিক ভেঙে ব্লকের নিচে চাপা পরে রবিউল। মাহিন্দ্র গাড়িটি আগে থেকেই ত্রুটি ছিল। এভাবে সে মারা যাবে তা আমরা বুঝতেও পারিনি।’

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনায় এক শ্রমিকের মৃত্যু দুঃখজনক। ঘটনাটি তদন্ত করা হবে। কারও কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা ক্ষতিয়ে দেখা হব। নিহত শ্রমিকের পরিবার যাতে সহায়তা পায় তা দেখা হবে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনি শংকর কর বলেন, নদীর তীর রক্ষা বাঁধে কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন। ঘটনাটি জানতে পুলিশ কাজ করছে। পরবর্তী সময়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন