বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল রাতে ভজনপুর বাজারে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হারুন অর রশিদ তাঁর কর্মী–সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ ও মিছিল শেষ করে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি পথসভা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ করেই পথসভার পাশে হারুনের কর্মী আশরাফুল ইসলামের মোটরসাইকেলে আগুন জ্বলতে শুরু করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। তবে এর আগেই পুরো মোটরসাইকেলটি পুড়ে যায়। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে বেশ কিছু যানবাহন আটকা পড়ে। পরে তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা ও তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছায়েম মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মোটরসাইকেলের মালিক আশরাফুল ইসলাম জানান, তাঁর মোটরসাইকেলের পাশেই একটি ভ্যানের ওপর দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ সময় সেখান থেকে কিছুটা দূরে বসে তিনি বক্তব্য শুনছিলেন। কিছুক্ষণ পর তেঁতুলিয়ার দিক থেকে আসা কয়েকটি মোটরসাইকেল পথসভার পাশে এসে থামে। এরপর একটি মোটরসাইকেল থেকে কিছু একটা ছুড়ে মারা হলে পথসভার পাশে থাকা একটি মোটরসাইকেলে আগুন জ্বলতে শুরু করে।

আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ওই সময় পথসভায় থাকা লোকজন চিৎকার করতে শুরু করলে মোটরসাইকেলগুলো পঞ্চগড়ের দিকে চলে যায়। প্রথমে বুঝতে পারিনি যে পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি আমার। পরে খোঁজাখুঁজি করে দেখি আমার মোটরসাইকেলটিই পুড়ে গেছে।’

হারুন অর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, পথসভার সময় ১০ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেল নিয়ে একদল লোক এসে তাঁদের ওপর ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এ সময় তাঁর কর্মী আশরাফুল ইসলামের মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে তাঁরা পালিয়ে যান। বিএনপির দুইজন নেতা এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন করছেন। বিএনপি-জামায়াতের লোকজনই পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছায়েম মিয়া মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পথসভার সময় মোটরসাইকেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন