বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্রে জানা যায়, দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় হিমালয়ের খুব কাছাকাছি হওয়ায় এখানে শীত কিছুটা আগেভাগেই আসে। শীতের অধিকাংশ দিনে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করে পঞ্চগড়ে। কাঠগড়ার মেঝে শীতের দিনে খুবই ঠান্ডা হয়ে যায়। এতে আসামিদের অনেক কষ্টে সেখানে থাকতে হয়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষমাণ কারাগার থেকে আসা আসামিদের শীতের কষ্ট অনুভব করেই বিচারক কার্পেট বিছানোর উদ্যোগ নেন।

অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, আদালতের কাঠগড়ার মেঝেটি মোজাইক করা। এ জন্য সেখানে শীতের সময় প্রচণ্ড ঠান্ডা অনুভূত হয়। আদালতের বিচারক, আইনজীবীসহ সব কর্মকর্তা-কর্মচারী জুতা পড়েই থাকেন। অথচ আসামিরা দীর্ঘ সময় জুতা খুলে কাঠগড়ার শীতল মেঝেতে বসে থাকেন। বিষয়টি বিচারক মতিউর রহমানের মনে নাড়া দেয়। এরপর তিনি কাঠগড়ায় কার্পেট বিছানোর ব্যবস্থা করেন।

পঞ্চগড় আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আমিনুর রহমান বলেন, ‘আদালতের কাঠগড়ায় আসামিদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে কার্পেট বিছানোর ঘটনা পঞ্চগড়ে এটাই প্রথম। আমার বিশ্বাস, একজন বিচারকের এ ধরনের মানবিক সিদ্ধান্ত সত্যিই অন্য সব আদালতের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন