বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সদর উপজেলার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউটের মাধ্যমিক শাখার মোট ৩৮৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সপ্তম ও নবম শ্রেণির মাত্র ২০০ জন শিক্ষার্থী নতুন বই হাতে পেয়েছে। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৪টি বইয়ের মধ্যে তারা ৭টি করে বই হাতে পেয়েছে।

সদর উপজেলার মীরগড় ময়নউদ্দীন উচ্চবিদ্যালয়ের মোট ৮০৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সপ্তম ও নবম শ্রেণির ৩৩০ জন শিক্ষার্থী এখন পর্যন্ত বই পেয়েছে। তবে তারাও সম্পূর্ণ বই হতে পায়নি।

মীরগড় ময়নউদ্দীন উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র আদিল ইয়াসির বলে, ‘আমাদের সপ্তম শ্রেণির ১৪টি বইয়ের মাত্র ৭টি করে বই দেওয়া হয়েছে। তবে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতসহ সাতটি বই এখনো তারা হাতে পায়নি।’

মীরগড় ময়নউদ্দীন উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী আতিকুন নাহার বলে, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে শুধু সপ্তম ও নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা বই পেয়েছি। আমাদের ১৪টি বইয়ের মধ্যে ৭টি করে বই দিয়েছে। বাকি বইগুলো পরে দেওয়া হবে বলে শুনেছি।’

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউটের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী দোলা আক্তার বলে, ‘আমরা এখনো একটি নতুন বইও পাইনি। কবে বই পাব, এ বিষয়ে স্যারদের কাছে জানতে এসেছি। স্যাররা বলেছেন কয়েক দিনের মধ্যেই পাব।’

পঞ্চগড় বিষ্ণুপ্রসাদ (বিপি) সরকারি উচ্চবিদ্যালয় নবম শ্রেণির ছাত্র মাহফুজ ফয়সাল বলে, ‘আমাদের এখন পর্যন্ত মাত্র ১১টি বই দেওয়া হয়েছে। আমরা এখনো বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান বই হাতে পাইনি।’

পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হক বলেন, ‘আমার বিদ্যালয়ের মোট ছাত্রীর সংখ্যা ১ হাজার ১৯৬ জন। এখন পর্যন্ত সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর জন্য ৭টি করে এবং নবম শ্রেণির একেকজন শিক্ষার্থীর জন্য ১৪টি করে বই আমরা পেয়েছি। বছরের শুরুতে এসব বই তাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীদের হাতে এখনো বই তুলে দিতে পারিনি। এ জন্য ওই ছাত্রীদের পুরোনো বই জোগাড় করে আপাতত শ্রেণিকক্ষের পাঠদানে অংশ নিতে বলেছি।’

পঞ্চগড় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার বলেন, শিক্ষার্থীদের বইয়ের কোনো ঘাটতি নেই। বইগুলো পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হয়েছে।

এর মধ্যে কিছু বই চলেও এসেছে। আশা করছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এসব বই বিতরণ করা সম্ভব হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন