বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মফিজুর রহমান বলেন, চতুর্থ ধাপে ২৬ ডিসেম্বর পটিয়ার ১৭ ইউপিতে ভোট হবে। আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে যাঁরা নির্বাচন করছেন, তাঁদের বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অর্থাৎ নৌকার বিপক্ষে যেসব নেতারা কাজ করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বহিষ্কারের সুপারিশের তালিকায় থাকা নেতারা হলেন—কুসুমপুরা ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুর উর রশিদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. জাকারিয়া ডালিম, আশিয়া ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুহাম্মদ বেলাল উদ্দীন চৌধুরী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য সৈয়দ মাঈনুল হক, কেলিশহরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নিখিল দে, জঙ্গলখাইনে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি শাহাদাত হোসেন, উপজেলা যুবলীগ নেতা মো. দিদারুল আলম, হাইদগাঁও ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বিএম জসীম, ধলঘাট ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ শফিউল আলম, জিরি ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম সওদাগর, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম বাবুল, কোলাগাঁও ইউপির ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মাহবুবুল হক, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবুল কাসেম রাসেল ও ছনহরা ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা কাজী আবু জাফর।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম সামশুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ওই প্রার্থীদের নিয়ে একাধিকবার দলীয়ভাবে বৈঠক করে তাঁদের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে মাঠে না থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা দলের অনুরোধ রাখেননি। তাই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন