বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খবর পেয়ে পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিক রহমান ও পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম মজুমদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কাসেম বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় তাঁদের পূর্বনির্ধারিত সভা শেষে দলের জেলা ও উপজেলার নেতা-কর্মীরা ফিরে যাচ্ছিলেন। এ সময় মোহাম্মদ কাইছের সমর্থকেরা এসে অতর্কিতে নৌকার নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর করে তাণ্ডব চালান। এ সময় তাঁর একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে ভাঙচুর ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। হামলার ঘটনায় তাঁর তিন কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

default-image

তবে এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ কাইছ অভিযোগ করে বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে তাঁর সমর্থকেরা আলাপ-আলোচনা করছিলেন। এ সময় নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা হঠাৎ এসে নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর সমর্থক রাসেলের (২৯) ওপর হামলা করে। এ সময় রাসেলকে হাসপাতালে নেওয়ার আধা ঘণ্টা পর আবার নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা এসে তাঁর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়। এ সময় তিনি একটি বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। পুলিশ আসার পর তিনি ঘটনাস্থলে ফিরে আসেন।

এ বিষয়ে পটিয়া সার্কেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিক রহমান বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ-অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেলের আগুন নেভায়। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন