নিহত ইউসুফের চাচাতো ভাই সোহাগ মৃধা বলেন, প্রতিদিনের মতো তাঁর ভাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওষুধের দোকান বন্ধ করে তাঁর গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা হন। রাত ১১টা বেজে গেলেও ইউসুফ বাড়িতে না পৌঁছানোয় তাঁর স্ত্রী নুরনাহার বেগম এক মেয়েকে নিয়ে স্বামীর দোকানের দিকে রওনা দেন। পথে রক্তাক্ত অবস্থায় স্বামী ইউসুফ মৃধাকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ইউসুফের স্ত্রী নুরনাহার বেগম বলেন, স্বামী ও তিন মেয়েকে নিয়ে তাঁদের সংসার। এর মধ্যে একটি মেয়ে প্রতিবন্ধী। স্বামীর আয়ে চলে এই সংসার। কারা, কী কারণে তাঁর স্বামীকে হত্যা করেছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন