বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আলতাফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সমর্থকদের নিয়ে প্রচারে নেমে তিনি নানা ধরনের হামলার শিকার হচ্ছেন। ২৯ অক্টোবর থেকে তাঁর নির্বাচনী পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা শুরু হয়েছে। পরদিন তাঁর প্রচার মাইক ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ৩১ অক্টোবর আবার প্রচারে নামলে তাঁর কর্মীদের মারধর এবং তাঁদের বহনকারী অটোরিকশায় আগুন দেওয়া হয়েছে। নৌকার প্রার্থী হুমায়ুন কবিরের কর্মীরা এসব ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ ছাড়া হুমায়ুন কবিরের কর্মীরা এলাকায় মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে। এ ব্যাপারে তিনি জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে অভিযোগ করলেও তারা কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন। ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান আলতাফ হোসেন।

তবে নৌকার প্রার্থী হুমায়ুন কবির এসব অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আলতাফ হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করার পর থেকে তিনি দলীয় নেতা–কর্মীদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। ভোটারদের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, আলতাফ হোসেনের লোকজন তাঁর প্রচার মাইক ভাঙচুর করেছেন এবং দলীয় কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। বিষয়টি তিনি প্রশাসনসহ নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন বলে জানান তিনি।

জানতে চাইলে আউলিয়াপুর ইউপি নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা ও দুমকি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহীন শরীফ প্রথম আলোকে বলেন, আউলিয়াপুর ইউপি নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কয়েকটি অভিযোগ এসেছে। তবে যে প্রার্থীই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করবেন, তাঁর বিরুদ্ধেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন