বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার সকালে জোয়ারের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। এতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বেড়িবাঁধের ধস ঠেকাতে স্থানীয় লোকজনকে আহ্বান জানানো হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পটুয়াখালী কার্যালয় সূত্র জানায়, পাউবো প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বেড়িবাঁধ রক্ষায় স্থানীয় লোকজনকে সহায়তা করার জন্য জিও ব্যাগ সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ রক্ষায় কাজ করতে এসেছেন ৮৫ বছরের আবদুল সত্তার মুন্সি (৮৫)। তিনি বলেন, বাঁধের এলাকায় ১০ একর কৃষিজমিতে এখনো মুগডাল, চিনাবাদাম ও মরিচ ফসল আছে। বাঁধ ভেঙে গেলে খেত তলিয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। তিনি আরও বলেন, বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে সবার সঙ্গে তিনিও মাটি ফেলে বাঁধ রক্ষার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

আলীপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাদশা ফয়সাল বলেন, বাঁধ সম্পূর্ণ ভেঙে গেলে ইউনিয়নের পশ্চিম আলীপুরা, চাঁদপুরা, মধুপুরা, মৌবাড়ীয়ী, রুহিতপুর—এই পাঁচ গ্রামসহ গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়য়িা, কল্যাণকলস ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হবে। জলোচ্ছ্বাসের দুর্যোগ থেকে বাঁধ রক্ষায় স্থানীয় মানুষের চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিষয়টি পাউবো কার্যালয়ে জানানো হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সালেহ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আজও নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। জোয়ারের জলোচ্ছ্বাসে জেলার ৪১ কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। দশমিনা উপজেলার আলীপুরে বাঁধ রক্ষায় স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগের খবর পাউবোর লোকজন সেখানে পরিদর্শন করেছে এবং পাউবো থেকে ভাঙন রক্ষায় জিও ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন