বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জুয়েল মৃধার ভাষ্য, গতকাল সন্ধ্যায় তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ শেষে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহরের দিকে ফিরছিলেন। পথে লোহালিয়া খেয়াঘাটে পৌঁছানোর পর নৌকার কর্মী-সমর্থকদের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। এতে তাঁর অন্তত ১০ জন কর্মী-সমর্থক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর সমর্থকদের রক্ষার চেষ্টা করলে তিনিও আহত হন।

পরে হামলাকারীরা চলে গেলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত ব্যক্তিরা পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, নৌকার প্রার্থীর ইন্ধনে তাঁর কর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন।

তবে অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে কবির হোসেন বলেন, জুয়েল মৃধা তাঁর সমর্থকদের নিয়ে লোহালিয়া ঘাটসংলগ্ন এলাকায় নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্পে ঢোকেন। এ সময় তিনি নৌকার সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর শুরু করলে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজনের ধাওয়ায় জুয়েল মৃধারা পালিয়ে যান। জুয়েল মৃধা নির্বাচনে তাঁর নিশ্চিত পরাজয় জেনে নৌকার কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখাতে এভাবে সহিংসতা সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

লোহালিয়া ইউনিয়নে দায়িত্বরত বিট পুলিশিং কর্মকর্তা ও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিপুল চন্দ্র বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় খেয়াঘাট এলাকায় নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের দুই পক্ষের মধ্যে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, লোহালিয়া এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন