বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার কর্মরত ব্যক্তিরা করোনার কারণে গত দুই বছর ঈদ করতে এলাকায় আসেননি। এ বছর পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং লম্বা ছুটি পেয়ে ঈদের ঘরমুখী মানুষের উপস্থিতিও ছিল ব্যাপক।

পটুয়াখালী নদীবন্দর সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঢাকার সঙ্গে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম লঞ্চ। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার কর্মরত ব্যক্তিরা করোনার কারণে গত দুই বছর ঈদ করতে এলাকায় আসেননি। এ বছর পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং লম্বা ছুটি পেয়ে ঈদের ঘরমুখী মানুষের উপস্থিতিও ছিল ব্যাপক। ঈদ শেষে এখন কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ।

পটুয়াখালী নদীবন্দর থেকে প্রতিদিন পাঁচটি করে লঞ্চ চলাচলের কথা থাকলেও মালিকপক্ষ নিজেদের মধ্যে সিন্ডিকেট করে তিনটি করে লঞ্চ চালাত। ঈদের কয়েক দিন আগে থেকে চারটি করে লঞ্চ চলছিল। ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের ব্যাপক চাপ থাকায় আজ শনিবার নয়টি লঞ্চের ব্যবস্থা করা হয়। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ির টানে মানুষ অনেক কষ্ট স্বীকার করে ছুটে আসেন পরিবার–পরিজনের কাছে। ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরতেও তাঁদের সেই ভোগান্তি পোহাতে হয়।

পটুয়াখালী নদীবন্দর সূত্র জানায়, সকাল থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীরা লঞ্চে এসে জায়গা নিয়ে অবস্থান করতে থাকেন। বেলা যতই বাড়তে থাকে ঢাকামুখী যাত্রীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। এদিকে বেলা দেড়টার দিকে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে। এ সময় যাত্রীদের শরীর ভিজে যাওয়ায় যাত্রীরা ভোগান্তি পোহান।

default-image

দুপুরে সরেজমিন লঞ্চঘাটে দেখা যায়, বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও বেলা আড়াইটা থেকে লঞ্চগুলো টার্মিনাল ত্যাগ করেছে। এর মধ্যে ছত্তার খান-১, আওলাদ-৭, সুন্দরবন-১৪, কামাল-১, পূবালী-১২ কাজল-৭, কুয়াকাটা-১, এ, আর, খান-১, আসা-যাওয়া-১ এই ৯টি লঞ্চ যাত্রীতে কানায় কানায় পূর্ণ ছিল।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল থেকেই যাত্রীরা বিছানার চাদর বিছিয়ে নিজেদের জায়গা করে লঞ্চে অবস্থান করছেন। অনেকের অভিযোগ, লঞ্চগুলো কেবিন, ডেকসহ বারান্দা ও ছাদে যাত্রীতে ভরে গেলেও তা ছাড়েনি। বৃষ্টিতে ভিজে অনেকেই লঞ্চে অবস্থান করছেন। চরম দুর্ভোর শিকার হতে হচ্ছে তাঁদের।

default-image

পটুয়াখালী নদীবন্দরের উপপরিচালক এম মহিউদ্দিন খান বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় যাত্রীদের চাপ অনেক বাড়বে। এই চিন্তা থেকে আমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছি। নির্ধারিত পাঁচটি লঞ্চের সঙ্গে আরও অতিরিক্ত চারটি লঞ্চ প্রস্তুত রেখেছি। কাজেই লঞ্চগুলো অতিরিক্ষ যাত্রী বোঝাই করতে পারবে না। প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিয়ে লঞ্চগুলো নির্ধারিত সময়ের আগেই ঘাট ত্যাগ করানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।'

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন