বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পঞ্চম ধাপে আগামী ৫ জানুয়ারি রাজশাহীর বাগমারার ১৬টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ হবে। নির্বাচনে উপজেলার ৮৩ জন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। এর মধ্যে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ১২ জন বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে সাতজন প্রার্থী আগে থেকে পদত্যাগ করলেও ওই সাতজনসহ মোট ১২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কার হওয়া নেতারা হলেন হামিরকুৎসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সহসভাপতি শাফিনুন্নাহার, নরদাশ ইউনিয়নের সভাপতি আবদুর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোজাম্মেল হক, বাসুপাড়া ইউনিয়নের সদস্য আবদুল জব্বার মণ্ডল, যোগীপাড়া ইউনিয়নের সহসভাপতি মাজেদুর রহমান এবং আউচপাড়ার বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আবদুর রহিম, ঝিকড়া ইউনিয়নের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম, দ্বীপপুরের বিকাশ চন্দ্র ভৌমিক, ওয়ার্ডের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, গনিপুরের সহসভাপতি হারুণ অর রশিদ ও মাড়িয়ার রেজাউল হক।

তবে বহিষ্কার হওয়া নেতারা দলের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। বাসুপাড়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল জব্বার মণ্ডল বলেন, তিনি কয়েক দিন আগেই দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। দলের পক্ষ থেকে পদত্যাগপত্র গ্রহণও করা হয়েছিল। এরপর বহিষ্কার করার ব্যাপারটি হাস্যকর। তাঁদের বহিষ্কার করার এখতিয়ার উপজেলা কমিটির নেই। উপজেলা কমিটি সুপারিশ করতে পারে। মুখে মুখে বলে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায় না।

এদিকে হামিরকুৎসা ইউনিয়নের সহসভাপতি শাফিনুন্নাহার, নরদাশ ইউনিয়নের সভাপতি আবদুর রশিদের সঙ্গে কথা হলে তাঁরাও এ সিদ্ধান্তকে হাস্যকর ও মানহানিকর বলে মন্তব্য করেছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তাঁদের নিজেদের গুরুত্ব প্রমাণ করবেন বলে জানান তাঁরা।

তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বলেন, দলীয় সভায় তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় কার্যকরী কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন