বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে দুটি কমিটিতে ‘ত্যাগী নেতারা’ স্থান পাননি অভিযোগ তুলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহস্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সামসুজ্জামান পদত্যাগ করেন। ১৮ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ ঘোষণা দেন। বিএনপির ‘নিখোঁজ’ নেতা এম ইলিয়াস আলীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে সিলেটের রাজনীতিতে পরিচিত সামসুজ্জামান। এর আগে তিনি সিলেট জেলা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি পদে ছিলেন। বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর একটি শক্তিশালী বলয় (জামান গ্রুপ) রয়েছে। এই বলয়টি নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর অনুসারী হিসেবে সিলেটে পরিচিত।

কর্মীরা আরও বলেন, সামসুজ্জামানের পদত্যাগ ঘোষণার পর ২১ আগস্ট স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটিতে থাকা ১১ জন পদত্যাগ করেন। ২৩ আগস্ট জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের মহানগর সভাপতি ফয়েজ আহমদ দৌলত, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল গফফার পদত্যাগ করেন। ২৫ আগস্ট স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন উপজেলা কমিটির ১৫০ জন নেতা একযোগে পদত্যাগ করেন। এর দুদিন পর মহানগরের বিভিন্ন পদে থাকা আরও ৪৯ নেতা সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করেন। গণপদত্যাগ ঠেকাতে এসব কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।

তবে পদত্যাগ ঠেকাতে কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে বিষয়টি মানতে নারাজ নেতারা। জেলার আহ্বায়ক আবদুল আহাদ খান বলেন, যাঁরা ক্ষোভে পদত্যাগ করেছেন বলে প্রচার করছেন, তাঁরা আসলে সাংগঠনিক বিধি অনুসরণ করেননি। তাঁরা সবাইকে নিয়ে দল সাজাতে চান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন