বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, কাতল মাছটি কিনে তিনি দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুনের সঙ্গে বেঁধে রেখেছেন। মাছটি বিক্রির জন্য ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পরিচিতজনদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তিনি আশা করছেন, কাতল মাছটি ১ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে তিনি বিক্রি করতে পারবেন। তিনি বলেন, পদ্মা নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এ কারণে মাঝেমধ্যে রুই, কাতল, বোয়াল, পাঙাশ ও বাগাড় মাছ ধরা পড়ছে। কিছুদিন পর আরও ভালো এবং বড় বড় মাছ ধরা পড়বে বলে তিনি মনে করেন।

উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, এই অঞ্চলে ইলিশের দেখা তেমন একটা না মিললেও মাঝেমধ্যে বড় বড় কাতল, বোয়াল, পাঙাশ ও বাগাড় মাছ ধরা পড়ছে। পদ্মা নদীর পানি কমলে আরও অনেক ভালো মাছ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন