বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূর্যনগর বাজার এলাকার জেলে শামসু হালদারের কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান শেখ মাছটি কিনে নেন। পরে ৪২ হাজার টাকায় তিনি মাছটি বিক্রি করেছেন।

মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, পদ্মা নদীতে বর্তমানে ইলিশের দেখা তেমন একটা না মিললেও মাঝেমধ্যে বাগাড়, কাতলা, রুই বা পাঙাশ জাতীয় মাছ ধরা পড়ছে। বৃহস্পতিবার রাতভর জৌকুড়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে জাল ফেলেন সূর্যনগর এলাকার জেলে শামসু হালদার ও তাঁর লোকজন। রাতে তেমন ভালো কোনো মাছ না পাওয়ায় সবারই মনটা খারাপ ছিল। রাত শেষে আজ সকাল ৯টার দিকে শেষবারের মতো জাল ফেলে তোলার সময় বুঝতে পারেন, বড় কোনো মাছ ধরা পড়েছে। জাল টেনে নৌকায় তোলার আগমুহূর্তে দেখতে পান বড় এক বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। খুশিতে জাল কোনোরকম গুটিয়ে মাছটি নিয়ে আসেন সূর্যনগর বাজারে। সেখান থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ মাছটি ফেরিঘাটে আনতে বলেন। দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আনার পর মাছটি ওজন দিয়ে দেখেন প্রায় ২৮ কেজি হয়েছে। এ সময় জেলের সঙ্গে দরদাম করে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নেন তিনি।

ফরিদপুরের হাজীগঞ্জ এলাকার এক শৌখিন ক্রেতা ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে মোট ৪২ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নিয়েছেন।

দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটসংলগ্ন শাকিল-সোহান মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী শাহজাহান শেখ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সূর্যনগর এলাকায় বড় বাগাড় মাছ ধরার পর জেলে শামসু হালদার আমার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে। পরে তাকে মাছটি ফেরিঘাটে নিয়ে আসতে বললে বেলা ১১টার দিকে নিয়ে আসে। এ সময় তার সঙ্গে দরদাম করে ৩৩ হাজার টাকায় ২৮ কেজির মাছটি কিনে ফেরিঘাটের পন্টুনে বেঁধে রাখি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফেরিঘাট দিয়ে নিজ এলাকায় যাওয়ার সময় ফরিদপুরের হাজীগঞ্জ এলাকার এক বড় ব্যবসায়ী শৌখিন ক্রেতার কাছে ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে মোট ৪২ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করে দিই। মাছটি দুপুরেই ওই ব্যক্তি হাজীগঞ্জে নিয়ে যান।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন