বিজ্ঞাপন

মাওয়া নৌ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ মশদগাঁও গ্রামের সেবুন ব্যাপারীর ছেলে মাহিম (১৫), টিপু খন্দকারের ছেলে সীমান্ত (১৫) ও সালাউদ্দিন মাতবরের ছেলে একান্ত (১৫) বাড়ির পাশের বাগবাড়ি এলাকার পদ্মা নদীতে একসঙ্গে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে প্রবল স্রোতে তিনজন ভেসে যেতে শুরু করলে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা একান্তকে উদ্ধার করতে পারলেও মাহিম ও সীমান্তকে উদ্ধার করতে পারেননি। পরে বেলা আড়াইটায় বেজগাঁও মৃধাবাড়ি এলাকা থেকে মাহিম ও সীমান্তের লাশ উদ্ধার করা হয়। একান্তকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় লৌহজং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনজনের লাশ উদ্ধার হলেও আজ বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিখোঁজ এক শিশুর সন্ধান মেলেনি।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল কবির ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, এদিন নদীতে ডুবে মৃত্যুর আরও একটি ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কলমা গুদারাঘাট এলাকায় কয়েকজন গোসলে নেমেছিল। এ সময় আবদুল কাদের (২৭) ও মরিয়ম আক্তার (৭) নামের দুজন স্রোতের তোড়ে পানিতে তলিয়ে যায়।

বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আবদুল কাদেরের লাশ উদ্ধার করেন স্থানীয় ব্যক্তিরা। তবে শিশু মরিয়মকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি।

নিহত আবদুল কাদের নারায়ণগঞ্জের ঝালকুরি এলাকার আবদুল গফফারের ছেলে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন