মাছ ব্যবসায়ী মুহাম্মদ আলী বলেন, বাগাড় মাছটি উন্মুক্ত নিলামে কিনে আবার বিক্রির জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হচ্ছে। মাছটির দাম কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা লাভ পেলে বিক্রি করা হবে। মাছটি ফেরিঘাটের পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রেখেছেন বলে বেলা ১১টার দিকে তিনি জানান।

জেলে ওয়াসেল হালদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল রাতে মাছ ধরতে নদীতে যাই। সকাল ছয়টার দিকে জাল তুলতেই দেখি, বড় এই মাছটি আটকা পড়েছে। অনেক দিন পর এমন একটি মাছ পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। মাছটির ভালো দামও পেয়েছি।’

গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, বছরে নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশ মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কারণে এই মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পায়। এ ছাড়া এখন নদীতে পানি বাড়ার কারণে পাঙাশ, রুই, কাতলা, বোয়াল, বাগাড়সহ দেশীয় বড় প্রজাতির মাছ আরও ধরা পড়বে। আগামী প্রজন্মের জন্য এই মাছের স্থায়ী অভয়াশ্রম করা গেলে এমন মাছের বংশবৃদ্ধিসহ আরও বেশি মাছ পাওয়া যেত বলেন তিনি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন