বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ওই আড়তে মাছ বিক্রি করতে আসা কাদির ব্যাপারী জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার নদীতে পাঙাশের সংখ্যা বেশি। শুক্রবার রাতে তিনি পেয়েছেন ৪৫টি বড় পাঙাশ।

আলি আহমেদ নামে আরও এক জেলে বলেন, তিনি নদীতে জাল ফেলে পেয়েছেন ২০টি পাঙাশ। এসব মাছ সকালে আড়তে এনেছেন। মাছের দাম ও চাহিদা দুটোই বেশ ভালো।

হাসাইল মাছঘাটের আড়তদার মো. সোহেল হালদার বলেন, জাটকা ইলিশের মতো পাঙাশের বাচ্চা নিধন বন্ধ করা গেলে ভবিষ্যতে এর চেয়ে বেশি ও আকারে বড় পাঙাশের দেখা মিলবে।

টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন মৃধা বলেন, প্রতিবছরই ইলিশের প্রজনন মৌসুমের পর নদীতে পাঙাশ মাছের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। গত বছর পাঙাশের পোনা বিক্রি বন্ধে নিরলস চেষ্টা করা হয়েছে। এবারও সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন