যশোর থেকে ঢাকার টঙ্গীগামী কাভার্ডভ্যানচালক সুফিয়ান বলেন, ‘গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিসের সামনে এসে সিরিয়ালে আটকা পড়ি। এখন বেলা ১১টা বাজে দৌলতদিয়া পাম্পের সামনে এসেছি। মনে হয় ফেরি পেতে আরও দুই ঘণ্টার মতো লাগবে। ভেবেছিলাম পদ্মা সেতু চালু হয়েছে, যে কারণে ঘাটে এসে সরাসরি ফেরিতে উঠতে পারব, কিন্তু তা আর পারলাম না।’

বোয়ালমারী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা গরু বোঝাই করে আসা ট্রাকচালক মতিয়ার শেখ বলেন, ‘ভোরে বোয়ালমারী থেকে গরু নিয়ে সরাসরি ফেরি ঘাটে চলে এসেছি। কোথাও কোনো ভোগান্তি হয়নি। ফেরির টিকিটের টাকাও বেশি লাগেনি। কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে গরুর গাড়িগুলোকে আগে ফেরিতে উঠতে দিচ্ছে।’

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান জানান, ‘কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ঘাটে গরুবাহী গাড়ি বেশি আসায় অপনশীল ট্রাকের একটু সারি তৈরি হয়েছে। তবে আমরা গরুর ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস, কাঁচামালবাহী ট্রাক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করছি। বর্তমানে এ নৌরুটে ২১ ফেরির মধ্যে ১৯টি ছোট-বড় ফেরি চলাচল করছে। আগে এই নৌপথে থাকা ফেরিগুলো দিয়ে ২৪০টি ট্রিপ দেওয়া হতো। কিন্তু এখন পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে এই নৌপথের ফেরিগুলো ১৮০–১৯০টি ট্রিপ দিতে পারছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন