বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘাট এলাকার মৎস্যজীবীরা জানান, পাবনার ঢালার চর এলাকার জেলে সবুজ হালদার ও তাঁর দল রাজবাড়ী সদর উপজেলার জৌকুড়া ফেরিঘাটের কাছাকাছি পদ্মা নদীতে মঙ্গলবার সকালে জাল ফেলেছিলেন। বেলা ১১টার দিকে জাল নৌকায় তুলতে গেলে কয়েক দফা ঝাঁকুনি লাগে। তখনই বুঝতে পারেন, বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে জাল টেনে নৌকায় তুলতেই দেখেন, বড় আকারের একটি চিতল মাছ। পরবর্তী সময়ে তাঁরা মাছটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন। পরে ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার সাকিল-সোহান মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী শাহজাহান শেখ জেলেদের কাছ থেকে চিতল মাছটি কিনে নেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান শেখ বলেন, সাধারণত পদ্মা নদীর বড় চিতল খুব একটা দেখা যায় না। মাছটি তিনি কেনার পর বিভিন্ন পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান শেখ বলেন, ওজন দিয়ে দেখতে পান চিতল মাছটি ১৩ কেজি ২০০ গ্রাম হয়েছে। পরে জেলের সঙ্গে দরদাম করে ১ হাজার ৩৫০ টাকা কেজি দরে তিনি মাছটি কিনে নেন। সাধারণত পদ্মা নদীর বড় চিতল খুব একটা দেখা যায় না। মাছটি তিনি কেনার পর বিভিন্ন পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন। বিকেল চারটার দিকে ঢাকার বড় ব্যবসায়ী মো. সালাহ উদ্দিনের কাছে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে ১৮ হাজার ৪০০ টাকায় চিতলটি বিক্রি করেন। মাছটি তিনি ঢাকাগামী দূরপাল্লার পরিবহনে করে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

গোয়ালন্দ উপজেলার জ্যেষ্ঠ সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, বর্তমানে বেশ কিছুদিন ধরে পদ্মা নদীতে তেমন বড় কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। আগে প্রায়ই কোনো না কোনো বড় মাছ পাওয়া যেত। ১৩ কেজি ওজনের চিতল পাওয়া অনেক ভালো খবর। সামনে হয়তো এ ধরনের আরও অনেক ভালো মাছ পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন