বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, সকালে ফেরিঘাট এলাকার অদূরে জেলে আব্দুর রশিদ হালদার জাল ফেলেন। প্রথমবার জাল তুলে তেমন কোনো মাছ পাননি। দ্বিতীয়বার জাল তোলার মুহূর্তে ঝাঁকি দিলে বুঝতে পারেন বড় মাছ ধরা পড়েছে। পরে নৌকায় জালে টেনে তোলার পর দেখতে পান বিশাল এক বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। পরে আব্দুর রশিদ হালদার দুপুরের দিকে দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটে বিক্রির জন্য মাছটি নিয়ে যান। এ সময় মাছটি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে শাকিল-সোহান মৎস্য আড়তের মালিক মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ ১ হাজার ১৩০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৯ হাজার ৫৫০ টাকায় কিনে নেন। মাছটি ফেরিঘাটের পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখলে এটি দেখতে সেখানে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।

ঈদের এক দিন আগে এত বড় বাগাড় মাছ ধরা পড়ায় জেলে আব্দুর রশিদ হালদারও যেমন খুশি, তেমনি তাঁরাও খুব খুশি। তাঁদের ঈদ যেন এখনই লেগে গেছে।

মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ বলেন, মাছটি তিনি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে কিনে পরে মুঠোফোনে নাটোরের এক চাল ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি মাছটি কিনতে আগ্রহী হলে ১ হাজার ৩০০ টাকা করে মোট ৪৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করে মোটরসাইকেলে পাঠিয়ে দেন।

শাহজাহান শেখ বলেন, ঈদের এক দিন আগে এত বড় বাগাড় মাছ ধরা পড়ায় জেলে আব্দুর রশিদ হালদারও যেমন খুশি, তেমনি তাঁরাও খুব খুশি। তাঁদের ঈদ যেন এখনই লেগে গেছে। মাছটি তাঁরা ৪৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে পেরে বেজায় খুশি হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, পদ্মা নদীতে এখন ইলিশ মাছের আকাল থাকলেও বড় বড় বাগাড়, চিতল, বোয়াল, কাতল, রুই, পাঙাশসহ নানা ধরনের মাছ পাওয়া যাচ্ছে। তবে এত বড় মাছ নদীতে এখন খুব একটা দেখা যায় না। এ ধরনের মাছ সাধারণত ফ্যাসন, দশন, কৌনা, কচাল ও চাকা ওয়ালা ঘাইলা ব্যার জালে ধরা পড়ে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন