বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যে ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে, সেগুলো পড়েছে জাজিরার নাওডোবা, পূর্ব নাওডোবা, পালের চর ও কুন্ডের চর, নড়িয়ার চরাত্রা, মোক্তারের চর ও নওপাড়া এবং ভেদরগঞ্জের কাঁচিকাটা, তারাবনিয়া ও চরসেন্সাস ইউনিয়নের মধ্যে।

নড়িয়ার ঈশ্বরকাঠি গ্রামের সায়েদুর রহমান বলেন, বাড়ির উঠানে, রাস্তায় পানি। ঘর থেকে বের হতে পারছেন না তাঁরা। এলাকার অনেকের ঘরে পানি উঠে গেছে। নলকূপ তলিয়ে যাওয়ায় খাওয়ার পানি পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষিজমি তলিয়ে যাওয়ায় ১০-১২ দিন ধরে বেকার হয়ে পড়েছেন এলাকার মানুষ।

নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর ৪৯টি প্রাথমিক ও ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছ। ১২ সেপ্টেম্বর এসব বিদ্যালয় খোলা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর ৪৯টি প্রাথমিক ও ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছ। বিদ্যালয়ের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষকেরা। ১২ সেপ্টেম্বর এসব বিদ্যালয় খোলা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নড়িয়ার চেরাগ আলী ব্যাপারীকান্দি গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা বেগম বলেন, ৮-১০ দিন ধরে এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। দুদিন আগে তাঁর বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পানি প্রবেশ করে। বন্যার পানি না নামা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করা যাবে না।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বন্যায় প্লাবিত ৩০টি গ্রামের বাসিন্দাদের সহায়তা করার জন্য ৮০০ প্যাকেট শুকনা খাবার, ৭০ মেট্রিক টন চাল, ৩ লাখ টাকা ও ১০০ বান্ডিল টিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অনুকূলে বরাদ্দ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এসব সহায়তা এসেছে। সেগুলো ৪০২ পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান গত দুদিনে জাজিরা ও নড়িয়ার পাঁচটি ইউনিয়নে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে খাদ্যসহায়তা বিতরণ করেন।

জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা খাদ্যসহায়তা, নগদ টাকা ও পুনর্বাসন সহায়তা নিয়ে প্রস্তুত আছেন। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মঙ্গলবার জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা ডাকা হয়। জেলায় ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। পানি আরও বৃদ্ধি পেলে সেখানে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন