বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দাবিগুলো হলো পদ্মা নদী তথা চর ইজারা দেওয়া বন্ধ করতে হবে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে, অবৈধ ইঞ্জিনচালিত ড্রেজিং মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে হবে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে, নদীভাঙন রোধে বরাদ্দকৃত কাজের মধ্যে দুর্নীতির সঠিক তদন্ত করতে হবে, পদ্মা নদীতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সাংসদ জাহিদ ফারুকের নির্দেশনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে শহর রক্ষার জন্য মেগা প্রকল্প বরাদ্দ দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং উত্তোলনকৃত সব বালু রাষ্ট্রীয়ভাবে বাজেয়াপ্ত করতে হবে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ীর বিভিন্ন এলাকার প্রায় দুই শতাধিক মানুষ শহরের বড়পুলে আকবর আলীর বাসভবনে জড়ো হন। সেখান থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। ‘আমার মাটি আমার মা বিলীন হতে দেব না’, ‘রাজবাড়ী শহর বাঁচাও, বাঁচাতে হবে’—স্লোগান সামনে রেখে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর আলী, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আলী হোসেন পনি, বসন্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মির্জা বদিউজ্জামান প্রমুখ। এরপর জেলা প্রশাসকের কাছে ৯ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম বলেন, সরকারিভাবে কয়েকটি বালুমহাল ইজারা দেওয়া হয়। সেখানে সীমানা চিহ্নিত করে বালু উত্তোলনের পরিমাপ বলে দেওয়া হয়। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন