বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বক্তব্য দেন তরুণ প্রজন্মের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম, সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম, এলাকার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি আসফাকুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, যুবায়ের আহমেদ, মামুনুর রশিদ, ইউসুফ আলী প্রমুখ।

বক্তার বলেন, ফেরিঘাটে প্রয়োজনের তুলনায় নৌকার সংখ্যা কম। এ জন্য অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল পারাপার করা হয়। নৌকার জন্য মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। সম্প্রতি নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে করতে প্রসববেদনা নিয়ে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। অতিরিক্ত মালামাল ও যাত্রীর কারণেই সম্প্রতি পাকায় নৌকাডুবিতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

বক্তারা আরও বলেন, গরুসহ বিভিন্ন চোরাচালানের মালামাল পরিবহনে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় এসব ঘাট রেষারেষি করে ইজারাদারেরা অতিরিক্ত মূল্যে (কোটি টাকায়) ঘাট ইজারা নেন। এ কারণে তাঁরা অতিরিক্ত টাকাও আদায় করেন যাত্রীদের কাছ থেকে। পরে নির্দিষ্টসংখ্যক (৪০) যাত্রী নিয়ে নৌকা ছাড়ার ব্যবস্থা, গবাদিপশু ও মালামালের আলাদা নৌকা, যাত্রীবাহী নৌকায় জীবনরক্ষকারী উপকরণ রাখা, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট ভাড়ায় দ্রুত নৌকার ব্যবস্থাসহ ১১ দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

ইজারাদারের অংশীদার শামীম রেজা প্রথম আলোকে বলেন, ‘নৌকাডুবির পর আমরা ৪০ জনের বেশি লোক নৌকায় তুলি না। চোরাচালানের মালামাল পরিবহনের অভিযোগ মিথ্যা। ভারত থেকে আসা যেসব গরু বিজিবি ছাড়পত্র দেয়, সেগুলোয় নৌকায় তোলা হয়। রাতের আঁধারে চোরাকারবারিরা নিজস্ব নৌকায় মাদক নিয়ে নদী পার হয়। এ ছাড়া প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করা হয় না।’

স্মারকলিপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাকিউল ইসলাম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন