বিজ্ঞাপন

এদিকে ফাঁকা দৌলতদিয়া ঘাট পেয়ে অনেকে ঘুরতে এসেছেন। রাজবাড়ী সদর উপজেলার মুলঘর থেকে মোটরসাইকেলে ছোট বোন শায়লাকে সঙ্গে করে বেড়াতে এসেছেন সীমান্ত প্রামাণিক। তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন তো ঘাটে তুমুল ঝড়-তুফান গেল। মানুষের ভিড়, নানা হাঙ্গামা ছিল। করোনার কারণে কোথাও যাওয়া হয়নি বলে ঈদের পরের দিন ছোট বোনকে সঙ্গে করে ফেরিঘাটের বাইপাস সড়কে ঘুরতে এলাম। এসে দেখি সব ফাঁকা। ঘাটে গাড়ি নেই, মানুষের কোলাহল নেই।’

অন্যদিকে, সাভারের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন বস্ত্র প্রকৌশলী রাকিবুল হক। তিনি ঈদের আগের দিন মানিকগঞ্জের নালিবাজারে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যান।

ভিড়ের মধ্যে বাড়ি যাননি বলে শ্বশুরবাড়ি ঈদ করে পরের দিন গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী যাচ্ছেন। তবে ফেরিতে ওঠে দেখেন, তাঁর মতো আরও অনেকে এখন পদ্মা পাড়ি দিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘তবু আগের থেকে অনেকটা ঝামেলা কম। বাড়ি যেতে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছি।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. ফিরোজ শেখ বলেন, ঈদ করতে গ্রামে আসা লোকজন এখনো ফিরতে শুরু করেননি। রাজধানীর দিকে ছুটতে আরও দুই থেকে তিন দিন পর ঘাটে চাপ পড়তে পারে। তবে পাটুরিয়া ঘাট থেকে এখনো অনেকে শহর ছেড়ে গ্রামে বেড়াতে যাচ্ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন