বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রকল্প সূত্র জানায়, কার্পেটিংয়ের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ। রোড স্ল্যাব বসানোর মাধ্যমে যে কংক্রিটের পথ তৈরি হয়েছে, তার ওপর প্রথমে দুই মিলিমিটারের পানিনিরোধক একটি স্তর বসানো হবে। এটি ‘ওয়াটারপ্রুফ মেমব্রেন’ নামে পরিচিত, যা অনেকটা প্লাস্টিকের আচ্ছাদনের মতো। এর ওপর কয়েক স্তরের কার্পেটিং হবে। সব মিলিয়ে পুরুত্ব হবে প্রায় ১০০ মিলিমিটার।

২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল সেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি–সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে ৮৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। মূল সেতুর কাজ হয়েছে ৯৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। সেতু নির্মাণের মোট বাজেট ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ব্যয় করা হয়েছে ২৫ হাজার ৮৮৯ দশমিক ৯৪ কোটি টাকা।

সবশেষ সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব অনুসারে, আগামী বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা। এরপরও প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর থাকবে। তবে সে সময় সেতুর কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তা মেরামত ও ঠিকাদারের পাওনা মেটানোর জন্য নির্ধারিত।

পদ্মা সেতু দ্বিতলবিশিষ্ট। এর ওপর দিয়ে চলাচল করবে যানবাহন, নিচ দিয়ে রেল। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। সেতু চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, আগামী জুনে সেতু চালু হবে এমন একটি প্রত্যাশা নিয়ে দক্ষিণের মানুষ অপেক্ষায় আছে। পদ্মা সেতুকে ঘিরে শরীয়তপুরের সড়ক অবকাঠামো পরিবর্তিত হচ্ছে। দুটি সড়ক চার লেনে উন্নীত করার জন্য অন্তত ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প চলমান, যা দুটি স্থলবন্দর ও তিনটি সমুদ্রবন্দরকে সংযুক্ত করবে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আবহাওয়াজনিত কারণে কার্পেটিংয়ের কাজ পিছিয়ে ছিল। আশা করছি, আগামী মাস থেকে পুরোদমে কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন