বিআইডব্লিটিএর মাওয়া বন্দর কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, কাল শনিবার পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ঘাটে জনসভায় ভাষণ দেবেন। এ জন্য নদীর তীরে মঞ্চ, অতিথিদের বসার আসন ও জনসাধারণের বসার জন্য প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই অংশে সাধারণের প্রবেশ সংরক্ষিত করা হয়েছে। এ কারণে আজ শুক্রবার ঘাটে সব ধরনের নৌচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাময়িকভাবে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের জাজিরা-শিমুলিয়া নৌপথের সাত্তার মাদবর–মঙ্গল মাঝির ঘাট দিয়ে চলাচল করতে হবে।

তবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন পর্ব ও জনসভা শেষ হওয়ার পর লঞ্চ চলাচল করবে কি না, তার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিটিএর এই কর্মকর্তা।

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া এবং জাজিরা-শিমুলিয়া নৌপথ ব্যবহার করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯ জেলার মানুষ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করেন। নৌপথ দুটিতে বর্তমানে ৮৬টি লঞ্চ, ২৫০টি স্পিডবোট ও ৫টি ফেরি চলাচল করছে। কাল পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হবে। আর রোববার সকাল থেকে সেতু দিয়ে গাড়িতে করে যাতায়াত করতে পারবে মানুষ।

সাত্তার মাদবর–মঙ্গল মাঝির ঘাটের লঞ্চ মালিক সমিতির ব্যবস্থাপক মোকলেছ মাদবর প্রথম আলোকে বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী আসবেন, জনসভা করবেন, এ জন্য বাংলাবাজার ঘাটে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওই লঞ্চগুলোই সাত্তার মাদবর–মঙ্গল মাঝির ঘাটে চলাচল করছে। আমাদের এখান থেকে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ কম রয়েছে। তবে ঢাকা থেকে অনেক যাত্রী আসছে।’

বিআইডব্লিটিসির বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন আহম্মেদ প্রথম আলোকে বলেন, সাত্তার মাদবর–মঙ্গল মাঝির ঘাটে থেকে পাঁচটি ফেরি চলাচল করত। আজ তা সীমিত করা হয়েছে। আজ তিনটি ফেরি চলছে, তবে সেটাও চলবে বিকেল পর্যন্ত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন