বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল সেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পের কাজের অগ্রগতিসংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে ৮৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সেতুতে ২ হাজার ৯১৭টি রোড ওয়ে স্ল্যাব এবং ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হয়েছে। বর্তমানে সেতুতে কার্পেটিং, ভায়াডাক্টে কার্পেটিং, ওয়াটারপ্রুফ মেমব্রেন (পানিনিরোধক), মূল সেতুর মুভমেন্ট জয়েন্ট, ভায়াডাক্টের মুভমেন্ট জয়েন্ট, ল্যাম্পপোস্ট, অ্যালুমিনিয়াম রেলিং, গ্যাসের পাইপলাইন, ৪০০ কেভিএ বিদ্যুৎ ও রেললাইনের কাজ চলমান। সেতু নির্মাণের মোট বাজেট ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যয় করা হয়েছে ২৬ হাজার ৬৫৮ দশমিক ৩১ কোটি টাকা।

সর্বশেষ সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব অনুসারে, আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা। এরপরও প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর থাকবে। তবে সে সময়টা সেতুর কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তা মেরামত ও ঠিকাদারের পাওনা মেটানোর জন্য নির্ধারিত।

পদ্মা সেতু দ্বিতলবিশিষ্ট। এর ওপর দিয়ে চলাচল করবে যানবাহন, নিচ দিয়ে চলবে রেল। সেতুটি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে। দক্ষিণের মানুষ এখন সেতুটি চালুর অপেক্ষায়।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, আগামী জুনে সেতু চালু হবে, এমন একটি প্রত্যাশা দক্ষিণের মানুষের। সেতু ঘিরে সড়কপথ ও নানা ধরনের প্রকল্পের অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ চলছে, যাতে সেতু চালু হলে এর সুফল সহজে মানুষ পায়।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের সামনে লক্ষ্য হচ্ছে, জুনের মধ্যে সেতু খুলে দেওয়া। ওই লক্ষ্য নিয়ে শেষ সময়ের কাজ চলছে। দেশবাসী আগ্রহ নিয়ে বসে আছে সেতু দিয়ে পারাপার হওয়ার জন্য। আমরা আশাবাদী, জুনেই সেই প্রত্যাশা পূরণ হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন