বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কিন্তু দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও এখনো পন্টুনে যানবাহন রাখা হচ্ছে। গত শুক্রবার দুপুরে ৫ নম্বর ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, একটি রো রো ফেরি ঘাট ছেড়ে যাচ্ছে। সেখানে আর কোনো ফেরি নেই। কিন্তু পন্টুনে ৪-৫টি ব্যক্তিগত গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। প্রায় ১৫ মিনিট পর ঘাটের ডাউনের পকেটে একটি বড় ফেরি এসে ভেড়ে। ফেরি থেকে গাড়ি নামার পর পন্টুন ও সংযোগ সড়কে গাড়ির জট থাকায় নামতে পারছিল না। এতেও আরও বেশ কিছু সময় পন্টুনেই জট বেঁধে যায়। গাড়ি আনলোড হতে অনেক বেগ পোহাতে হয়।

৫ নম্বর ঘাটের পন্টুনে অপেক্ষমাণ গোপালগঞ্জ থেকে আসা স্টারলাইন নামের একটি পরিবহনের চালক ইমরান খান বলেন, ‘ঘাটে বড় ফেরি দেখে দ্রুত পন্টুনে গাড়ি নামিয়ে দিই। পন্টুনে আসতেই ডালা তুলে ফেরি ঘাট ছেড়ে দেয়। সামনে কয়েকটি ছোট গাড়ি থাকায় ফেরিতে উঠতে পারিনি।’ পন্টুনে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ কি না, জানতে চাইলে ইমরান খান বলেন, ‘পন্টুনে গাড়ি রাখা অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ। আমাদের ভুল হয়েছে।’

পন্টুন থেকে মাইক্রোবাস নদীতে পড়ে চালকের মৃত্যুর বিষয়টি জানেন সাতক্ষীরা থেকে আসা ব্যক্তিগত গাড়ির চালক শফিকুল ইসলাম। তারপরও কেন গাড়ি নিয়ে পন্টুনে দাঁড়িয়ে আছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল বলেন, ‘আমার সামনে আরও দু–তিনটি প্রাইভেটকার ছিল। তাদের পেছনে আমিও ছুটে এসেছি।’

পন্টুনের দায়িত্বরত শ্রমিক ইউনুস হোসেন বলেন, ঘাটে ফেরি না থাকলেও কিছু চালক কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই সরাসরি পন্টুনে চলে আসেন। বাধা দিতে গেলে উল্টো তাঁরা ঝামেলা করেন।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, কিছু ব্যক্তিগত গাড়ির চালক কিছু না মেনে পন্টুনে দাঁড়ান। কথা না শুনলে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন