আদালতে স্বীকারোক্তির তথ্য নিশ্চিত করে গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার দাস বলেন, নজরুলের তৃতীয় স্ত্রী লালবানুর বাড়ি উপজেলার এনায়েতপুরে। বাড়িসংলগ্ন চায়ের দোকান ছিল তাঁর। ওই দোকানে চা খেতে আসতেন পাশের ইটভাটার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাকির (২৫)। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শাকিরের দেওয়া মুঠোফোনে তাঁর সঙ্গে প্রায়ই কথা বলতেন লালবানু। বিষয়টি টের পেয়ে যান নজরুল। এ নিয়ে স্ত্রীকে মারধর করেছিলেন নজরুল এবং শাকিরকেও শাসিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে নজরুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তাঁরা।

ওসি দিলীপ কুমার দাস আরও বলেন, লালবানু স্বীকার করেছেন, ওই দিন রাতে স্বামী নজরুলকে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। নজরুল ঘুমিয়ে পড়লে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তাঁরা। এরপর বাড়ির কাছেই রাস্তার পাশে লাশ ফেলে দেন।

দিলীপ কুমার জানান, লাশ উদ্ধারের দিনই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালবানুকে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাঁর দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে শাকিরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন