বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় শরীফের মুখমণ্ডল ধারালো কিছুর আঘাতে ক্ষতবিক্ষত ও গলাকাটা অবস্থায় ছিল। পরে শিবপুর থানায় এ খবর জানানো হলে ভোর চারটার দিকে ঘটনাস্থলে যান উপপরিদর্শক মোক্তার হোসেন। পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন তিনি। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ বলছে, শরীফ মিয়া তাঁর এলাকায় ‘ডাকাত শরীফ’ নামে পরিচিত ছিলেন। তাঁর নামে হত্যা, ডাকাতি, বিস্ফোরকসহ অন্তত পাঁচটি মামলা আছে। ২০১৮ সালে শিবপুরের বন্যার বাজার এলাকায় মকবুল ডাকাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি তিনি। তবে কে বা কারা ঠিক কি কারণে তাঁকে এমনভাবে হত্যা করেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহত ব্যক্তির ছোট ভাই জুয়েল মিয়া বলেন, শরীফের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা আছে—এমন খবর তাঁর জানা নেই। কোনো প্রকার ক্ষোভ থেকেই তাঁকে এমন নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি শুনেছেন তাঁর ভাইয়ের নামে ডাকাতি ও হত্যার একাধিক মামলা আছে। এর আগে কখনো তাঁর বিরুদ্ধের এসব মামলার কথা পরিবারের সদস্যরা শোনেননি।

এদিকে শিবপুরের সাধারচর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাছিহুল গনি জানিয়েছেন, তিনি শুনেছেন, তাঁকে (শরীফ) ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল। হত্যার কায়দাটা বেশ নৃশংস। আর শিবপুর থানার উপপরিদর্শক মোক্তার হোসেন জানিয়েছেন, হত্যার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন