বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পর্যটন-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ, ঝুলন্ত সেতু, পলওয়েল পার্কসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে পর্যটকদের ভিড় থাকে। কিন্তু পরিবহন ধর্মঘটের কারণে বিনোদনকেন্দ্রগুলো অনেকটাই ফাঁকা। কাপ্তাই হ্রদের অধিকাংশ বোটচালক বেকার সময় কাটাচ্ছেন। এ ছাড়া শহরের হোটেল-মোটেলগুলোর বুকিং হওয়া কক্ষগুলোও ফাঁকা পড়ে আছে। আবার অনেকে আসতে না পেরে বুকিং হওয়া কক্ষ বাতিল করেছেন।

রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের নৌযান ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. রমজান আলী প্রথম আলোকে বলেন, দুই বছর ধরে করোনার কারণে পর্যটকের সংখ্যা এমনিতেই কমে গেছে। এদিকে ধর্মঘট শুরু হওয়ায় আজ মাত্র ১৫টি নৌযান ভাড়া হয়েছে। অন্যান্য সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ৪০ থেকে ৫০টি নৌযান ভাড়া হয়।

রাঙামাটি হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মুঈন উদ্দিন দাবি করেন, চলমান ধর্মঘটে পর্যটকের সংখ্যা কমপক্ষে ৫০ শতাংশ কমে গেছে। বেশ কিছু হোটেল-মোটেলের বুকিং হওয়া কক্ষ বাতিল হয়ে গেছে। নিজস্ব পরিবহনে অল্প কয়েকজন পর্যটক আসতে পেরেছেন, তাই বেশির ভাগ কক্ষই খালি পড়ে আছে।

এদিকে সাজেক রুইলুই পর্যটনকেন্দ্রের রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মন বলেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রুইলুই পর্যটনকেন্দ্রে আড়াই থেকে সাড়ে তিন শ গাড়ি যায়। কিন্তু আজ ১০০টি গাড়িও যায়নি। ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশে বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যটকেরা এখানে আসেন। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে কেউ আসতে পারছেন না।

রাঙামাটি পর্যটক কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক সৃজক বিকাশ বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাপ্তাহিক ছুটির দিনের জন্য আমরা অপেক্ষা করে থাকি। আমাদের পর্যটন কমপ্লেক্সে পর্যটক অনেক কমে গেছে। স্থানীয় কিছু পর্যটক নিজস্ব পরিবহন নিয়ে আসছেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন