ছাত্রীর স্বজনদের করা অভিযোগের বরাত দিয়ে শিবগঞ্জ থানা-পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ওই ছাত্রীকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন আলী হাসান। উত্ত্যক্ত করার বিষয়টি ছাত্রী তার পরিবারকে জানালে স্বজনেরা এ বিষয়ে আলী হাসানের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে নালিশ করেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার হয়নি।

পুলিশ আরও জানায়, রোববার যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে আসে মেয়েটি। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরীক্ষা দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হলে কেন্দ্রের ফটকের বাইরে মোটরসাইকেল নিয়ে পথরোধ করেন আলী হাসান এবং তাঁর এক সহযোগী। একপর্যায়ে মেয়েটিকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

টানাহেঁচড়া ও ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে চিৎকার শুরু করে মেয়েটি। এ সময় আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে আলী হাসানকে আটক করেন। তাঁর সহযোগী মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান।

মেয়েটির কথা শোনার পর উত্তেজিত জনতা আলী হাসানকে গণপিটুনি দেন। একপর্যায়ে ৯৯৯ নম্বরে কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলী হাসানকে থানা হেফাজতে নেয়।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, কলেজছাত্রীর মা বাদী হয়ে মেয়েকে অপহরণচেষ্টা ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনে থানায় মামলা করেছেন।