বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শরিফুল ইসলামের ডাকনাম চিন্টু। এলাকার সবাই তাঁকে এ নামেই চেনে। মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে ভাতা পান। তিনি ছিলেন খুবই পরোপকারী। তিনি এলাকার লোকজনের ফরমাশ শুনতেন। স্থানীয় পাকারমাথা বাজারে রাতে পাহারা দেন নৈশপ্রহরীরা। প্রতি রাতেই তাঁদের সঙ্গে বাজার পাহারার কাজ করতেন শরিফুল। কখনো কখনো বাসে উঠে চালকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন স্বেচ্ছায়। এসব করে এলাকার সবার কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। নিজের মতো করে গান গাইতেন শরিফুল।

পাকারমাথা গ্রামের বাসিন্দা শেফালি বেগম বলেন, চিন্টুর মতো ভালো ছেলে হয় না। তাঁর মৃত্যুর কথা শুনে খুবই কষ্ট লাগছে।

এলাকাবাসী জানান, শরিফুল গতকাল সোমবার রাতে পাকারমাথা বাজারে নৈশপ্রহরীদের সঙ্গে ছিলেন। আজ ভোরে কাজ শেষে চলে যান। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে জয়পুরহাট রেলস্টেশনের দক্ষিণে কুমারপাড়া রেলগেটের পাশে তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন। মাথায় ছিল গুরুতর জখম। পরে স্বজনেরা লাশটি বাড়িতে নিয়ে যান।

শরিফুলের মা মোমেনা খাতুন বলেন, ‘হামার চিন্টু রাতে পাকারমাথা বাজারে ডিউটি করেছিল। ভোরে রেললাইন দেখতে গিয়ে উত্তরা ট্রেনের ধাক্কায় মরে গেছে।’

গ্রামের বাসিন্দা জালাল উদ্দিন বলেন, ‘শরিফুলের অকালমৃত্যুতে আমরা শোকাহত।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন