বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় তরুণদের এমন অসাধারণ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এনামুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, এ এলাকায় বই নিয়ে এ ধরনের আয়োজন খুবই চমৎকার। পাঠাগারের জন্য সব ধরনের সহায়তা করার আশ্বাস দেন তিনি।

ব্যতিক্রমী এই পাঠাগারের উদ্যোক্তা বইবন্ধুর চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক তানভীর রিসাত প্রথম আলোকে বলেন, সারা দেশে তাঁদের কার্যক্রম রয়েছে। তবে সমুদ্রসৈকতে এ ধরনের পাঠাগার তাঁরা প্রথম করেছেন। পাঠাগারে প্রায় দুই শ বই আছে। এখানে গল্প, কবিতা, উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধ, শিশুতোষসহ নানা বয়সীদের জন্য বই রাখা হয়েছে।

পাঠক তাঁর পছন্দের বই পড়ার সুযোগ পাবেন। এতে সৈকতে ঘুরতে আসা দর্শীনার্থীদের ভালো সময় কাটবে।

আপাতত ঝড়–বৃষ্টি থেকে পাঠাগারটি রক্ষা করতে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে পাঠাগারের জন্য স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করার পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন তানভীর রিসাত। বইবন্ধুর স্বেচ্ছাসেবকেরা বই বিতরণ ও তদারকির কাজ করবেন। তবে বাড়িতে বই নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি।

সৈকত এলাকায় ঘুরতে আসা কয়েকজন পর্যটক বলেন, সৈকতের মোহনীয় রূপের সঙ্গে বই নিয়ে এমন আয়োজন এলাকাবাসীসহ বইপ্রেমীদের জন্য অনেক আনন্দের। এখন থেকে সৈকতে সমুদ্রের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে বই পড়ে দারুণ অবসর কাটানো যাবে।

২০১৮ সালে কার্যক্রম শুরু করে বইবন্ধু। সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বই বিনিময় উৎসবের আয়োজন করে। এতে শত শত পাঠকের ঢল নামে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন