বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এখন শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের এলাকায় ছোট-বড় অনেক হোটেল-রিসোর্ট আছে। গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ, লেমন গার্ডেন রিসোর্ট, টি হ্যাভেন রিসোর্ট, গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্ট, এসকেডি আমার বাড়ি, গ্রিনলিফ গেস্ট হাউসসহ শতাধিক হোটেলে কয়েক হাজার পর্যটকের থাকার ব্যবস্থা আছে। এসব হোটেল ও রিসোর্টে নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী থাকতে পারবেন পর্যটকেরা।

উপজেলার রামনগর মনিপুরী পাড়ায় অবস্থিত গ্রান্ড সেলিম রিসোর্ট অ্যান্ড ট্যুরের স্বত্বাধিকারী সেলিম আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে আমাদের রিসোর্টের ৮০ ভাগ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমরা আশা করি এটা শতভাগ হয়ে যাবে। অন্যান্য রিসোর্টেও একই অবস্থা।’ পর্যটকদের কথা বিবেচনা করে ঈদের ছুটির কয়েক দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চালু রাখার বিষয়ে তিনি পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

শ্রীমঙ্গল পর্যটনসেবা সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক ও গ্রিনলিফ গেস্টহাউসের স্বত্বাধিকারী এসকে দাশ সুমন বলেন, ‘আমাদের পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিতে কিছুই করা হচ্ছে না। পর্যটকেরা শুধু চা–বাগান দেখতেই এখানে আসেন না। তাঁরা আরও অনেক কিছু চান। সরকার যদি এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে না দেখেন তাহলে ধীরে ধীরে পর্যটকেরা দেশের পর্যটন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন।’

ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গল জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে আমরা শ্রীমঙ্গল থানার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। যেহেতু ঈদের ছুটিতে শ্রীমঙ্গলে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকেরা আসবেন, সেহেতু আমরা বিভিন্ন পর্যটন স্পর্টে পর্যাপ্ত ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করব। সাদা পোশাকেও পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় থাকবে। পর্যটকেরা যেন নির্বিঘ্নে ঘুরাফেরা করে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেই চেষ্টা চলছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন