বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বক্তারা শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। বিকেলে একটি মসজিদে অনুষ্ঠিত তাবলিগে তারা সচেতনতামূলক প্রচারণা চালান।

পরিদর্শন শেষে বন্য প্রাণী পরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা এসব গ্রামে এসেছেন কী ধরনের প্রাণী কামড় দিচ্ছে বা আক্রমণ করছে, তা চিহ্নিত করা ও মানুষকে সচেতন করতে। এ ছাড়া একটি প্রাণীর দোহাই দিয়ে আরও শত শত বন্য প্রাণীকে নিধন করবে, সেটা ঠিক নয়। সেসব বিষয়ে মানুষকে বোঝানো হয়েছে এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এখানকার মানুষ কীভাবে নিরাপদে থাকতে পারেন, কী কী পদক্ষেপ নিলে তারা ভালো থাকবেন এবং এই প্রাণীর দ্বারা তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, এই কৌশল ও বার্তাগুলো তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মানুষের মধ্যে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা কেটে যাবে।

মো. জাহাঙ্গীর কবির আরও বলেন, এই প্রাণীর আক্রমণে যারা আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের ক্ষতিপূরণ বিধিমালা অনুযায়ী বন বিভাগে আবেদন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আক্রান্ত আটজনের মধ্যে আটটি আবেদন ফরমও বিতরণ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা বন বিভাগ থেকে তাদের পৌঁছে দেওয়া হবে।

এলাকাবাসী জানান, দেড় মাস ধরে পলাশবাড়ী উপজেলার ছয়টি গ্রামে অচেনা এই প্রাণীর আক্রমণ শুরু হয়েছে। গ্রামগুলো হচ্ছে তালুক কেঁওয়াবাড়ি, হরিণাথপুর, কিশামত কেঁওয়াবাড়ি, খামার বালুয়া, দুলালেরভিটা ও তালুকজামিরা। এই সময়ে এই প্রাণীর আক্রমণে একজনের মৃত্যু এবং অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন