default-image

এক মাসের ব্যবধানে পশুর নদে ডুবেছে কয়লাবোঝাই আরেকটি জাহাজ। ‘এমভি ইফসিয়া মাহিন’ নামে লাইটার জাহাজটিতে প্রায় ৪০০ মেট্রিক টন কয়লা ছিল।

তীব্র স্রোতে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পশুর নদের বানিয়াশান্তা কাটাখালী এলাকায় জাহাজটি ডুবে যায়। তলা ফেটে এটি ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে নৌযানটিতে থাকা আটজন নাবিক-কর্মচারীর সবাই অক্ষত আছেন। আর এলাকাটি বন্দরের মূল চ্যানেলের বাইরে হাওয়ায় বন্দরে নৌ চলাচলে বিঘ্ন হচ্ছে না বলে জানিয়েছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার বিকেলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার বিভাগ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে লাইটার জাহাজটি উদ্ধার করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে এমভি বিবি-১১৫৮ নামের একটি লাইটার জাহাজ ৮০০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে পশুর নদে ডুবেছিল।

মোংলা বন্দরের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফকর উদ্দিন বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়া এলাকায় নোঙর করা জাহাজ থেকে চার শ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে এমভি ইফসিয়া মাহিন যশোরের নওয়াপাড়ায় রওনা হয়েছিল।

বানিয়াশান্তা কাটাখালী এলাকায় পৌঁছানোর পর বিকট একটি শব্দ শুনতে পান জাহাজের মাস্টার। এর কিছুক্ষণের মধ্যে আস্তে আস্তে জাহাজটি পানির নিচে তলিয়ে যেতে থাকলে জাহাজে থাকা সাত-আটজন নাবিক নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে সাঁতরে কূলে উঠে পড়েন।

শেখ ফকর উদ্দিন বলেন, জাহাজটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যদিও নদীতে জোয়ার থাকায় এটির অবস্থান এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তবে এটি বন্দর চ্যানেলের বাইরে রয়েছে। এতে বন্দরে জাহাজ আসা–যাওয়ায় কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন